নিজস্ব প্রতিবেদক: শরীয়তপুরের নড়িয়ায় স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পাওয়ার পর তাৎক্ষণিক অভিযানে ভুক্তভোগী দম্পতিকে উদ্ধার এবং অভিযুক্তদের আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, গত সোমবার (২৭ জুলাই) রাত ১১টার দিকে নড়িয়া উপজেলার আচুড়া গ্রামের আজিজ ঢালীর বাগান থেকে এক ব্যক্তি ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে জানান, কয়েকজন দুর্বৃত্ত একজন পুরুষকে আটকে রেখে এক নারীকে নির্যাতন করছে। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ৯৯৯ বিষয়টি নড়িয়া থানাকে জানায়।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, ভুক্তভোগীর স্বামী রাজিব আহমেদ খানকে তার পরিচিত হযরত আলী খন্দকার কৌশলে ঘটনাস্থলে ডেকে নেয়। সেখানে তাকে বেঁধে ফেলে স্ত্রীকে ফোন করে টাকা নিয়ে আসতে বাধ্য করা হয়। পরে স্ত্রী ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তাকে জোরপূর্বক আটকে রেখে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
সংবাদ পেয়ে নড়িয়া থানার সার্কেল অফিসার মোহাম্মদ মহিউদ্দিন মিরাজ, ওসি মো. বাহার মিয়া এবং পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে ভুক্তভোগী দম্পতিকে উদ্ধার করে। আহত নারীকে চিকিৎসার জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
পরে অভিযান চালিয়ে প্রধান অভিযুক্ত হযরত আলী খন্দকার (৪২), মো. রাব্বি (২৮) এবং তাদের সহযোগী ইমন খন্দকারকে (২৬) গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তার তিন আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তদন্তের অংশ হিসেবে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।



