এক্সক্লুসিভ নিউজজাতীয়জীবনযাত্রাদেশজুড়েলিড নিউজ

ডুবে থাকা জাহাজ নৌপথে বড় ঝুঁকি

ডুবে থাকা জাহাজ নৌপথে বড় ঝুঁকি
ট্টগ্রামের সন্দ্বীপ চ্যানেলে ডুবে যাওয়া লাইটার জাহাজ

চট্টগ্রাম : চট্টগ্রাম অঞ্চলে বিশেষ করে হাতিয়া ও সন্দ্বীপ অভ্যন্তরীণ নৌ রুটে লাইটার জাহাজ দুর্ঘটনা বেড়েই চলেছে। গত পাঁচ বছরে ডুবেছে ৩২টি লাইটার জাহাজ, যার ৭টিই সাগরের তলদেশ থেকে আর ওঠানো হয়নি। গুরুত্বপূর্ণ নৌ-পথে ডুবে থাকা এসব জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে বড় জাহাজ চলাচলের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এত বেশি জাহাজ দুর্ঘটনার ফলে ব্যাপক জানমালের ক্ষতির পাশাপাশি চট্টগ্রাম বন্দরের সুনামও নষ্ট হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশ কার্গো ভেসেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল হক বলেন, গত কয়েক বছরে বেশ কিছু জাহাজ ডুবেছে সন্দ্বীপ চ্যানেলে। ডুবে যাওয়া এসব বাল্কহেডের সঙ্গে ধাক্কা লেগেও অনেক জাহাজ দুর্ঘটনায় পড়ছে।

বেসরকারি লাইটার জাহাজ পরিচালনা সংস্থা ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট সেল (ডব্লিউটিসি) সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের জুলাই মাসে ১৫ দিনের ব্যবধানে চট্টগ্রাম বন্দর চ্যানেলের আশপাশে ৩টি লাইটার জাহাজ ডুবেছে। ১০ জুলাই ভাসানচরের কাছে ফুলতলা-১ নামে ছোলা বোঝাই একটি জাহাজ ডুবে যায়। ১৩ জুলাই পদ্মা সেতু মালামাল নিয়ে ভাসানচরের কাছে এমভি হ্যাং গ্যাং-১ নামের একটি জাহাজ ডুবে। এই জাহাজে পদ্মা সেতুর কাজের জন্য আনা মালামাল ছিল। সর্বশেষ ২৭ জুলাই পতেঙ্গা লাইট হাউস থেকে ২ দশমিক ২ নটিক্যাল মাইল দূরে এমভি সুফলা নামের আরেকটি জাহাজ ডুবে যায়।

সম্প্রতি চট্টগ্রাম বন্দরের আশপাশে কয়েকটি লাইটার জাহাজ দুর্ঘটনার কথা স্বীকার করে চট্টগ্রাম বন্দরের ডেপুটি কনজারভেটর ক্যাপ্টেন ফরিদুল আলম বলেন, এগুলো চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় নয়। তারপরও এসব দুর্ঘটনার ফলে ডুবে থাকা জাহাজে পলি জমে সাগর বা নদীর নাব্যতা কমে যাচ্ছে। ডুবে থাকা জাহাজের কারণে বড় জাহাজ চলাচলে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও বেড়ে যাচ্ছে।

উপকূলীয় এলাকায় জাহাজ চলাচলে বিধিনিষেধ না মানা এবং আবহাওয়ার সিগন্যাল অমান্য করার ফলে জাহাজ দুর্ঘটনা বাড়ছে বলে মনে করেন বিআইডব্লিউটিএ চট্টগ্রামের উপপরিচালক মো. সেলিম। এ জন্য জাহাজ চলাচলে সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

Related Articles

Back to top button